homeopathic (আরোগ্য হোমিও হল)

সংবাদ শিরোনাম
লোডিং...
Menu

রবিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২২

 ঋতুশূল বেদনা বা বাধক বেদনায় হোমিওপ্যাথিক চিকৎসা

ঋতুশূল বেদনা বা বাধক বেদনায় হোমিওপ্যাথিক চিকৎসা

 ঋতুশূল বা বাধক বেদনায় হোমিওপ্যাথিক চিকৎসা : 


 ঋতুশূল বা বাধক বেদনায় হোমিওপ্যাথিক চিকৎসা : 

কারণ – হিম ঠাণ্ডা লাগা, জরায়ুর প্রদাহ, ডিম্বকোষের পীড়া, কোষ্ঠবদ্ধতা, জরায়ুর গ্রীবার পথের সঙ্কোচন ও জরায়ুর নিঃসারক ধমনীতে রক্তাধিক্যতা প্রভৃতি কারণে কতুশূল বা বাধক বেদনা হইয়া থাকে ।

লক্ষণ—ইহাতে পৃষ্ঠদেশে, কোমরে, উরুদেশে, ডিম্বকোষে ও জরায়ুতে অত্যন্ত বেদনা থাকে এবং তলপেটে প্রসব বেদনার ন্যায় বেদনা অনুভব হয়। এই বেদনা ঋতুস্রাবের পূর্ব্বে বা ঋতুস্রাবের সময় আরম্ভ হয় ।

এবং দুই এক দিন কিম্বা ঋতুস্রাব যতদিন থাকে ততদিন থাকিয়া শেষে কমিয়া যায়। এতৎসহ মাথাধরা, বুক ধড়ফড়  করা, অল্প রক্তস্রাব প্রভৃতি লক্ষণ বিদ্যমান থাকে। বাধক রোগ বর্ত্তমান থাকিলে স্ত্রীলোকের সন্তান প্রায়ই হয় না।



চিকিৎসা

অ্যাকোনাইট (Aconit) : ৩০,২০০:— মানসিক উত্তেজনা হইতে অথবা হঠাৎ ভয় পাইয়া ঋতু বন্ধ হইয়া কিংবা অল্প পরিমাণ ঋতুর সঙ্গে যদি তলপেটে ও কোমরে তীব্র বেদনা এবং আনুসঙ্গিক উপসর্গ উপস্থিত হয়, তবেই অ্যাকোনাইট বিশেষ উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হইয়া থাকে।

এপিস মেলিফিকা (Apis Mel)  : ৩০, ২০০:– ডানদিকের ডিম্বাশয়ে হুলবিদ্ধবৎ বেদনা, রোগিণীর ক্রন্দনপ্রবণতা, না কাঁদিয়া থাকিতে পারে না। প্রস্রাবের স্বল্পতাসহ হস্তপদে এবং মুখমন্ডলে শোথ। রক্তহীনতা। খুব অল্প পরিমাণ লালবর্ণের গাঢ় প্রস্রাব এবং উহা ত্যাগকালে জ্বালা।

অ্যামোন-কার্ব ( Ammonium Car)  : ৩০, ২০০:– বাধকে তীব্র বেদনা এবং ক্ষুধামান্দ্য। ঋতুশোণিত কালো চাপচাপ, তীব্র বেদনার সঙ্গে নির্গত হয়। রজঃস্রাবের পূর্বেই পেটে বেদনা, যথাসময়ের অনেক পূর্বে ঋতু হয়। ঋতুসময়ে কলেরার ন্যায় লক্ষণ প্রকাশ পায় দাঁত ককনানি, শীতশীতভাব, সর্বদা আড়ামোড়া খাওয়া, বিষণ্ণতা।

বেলাডোনা (Belladonna) : ৩০, ২০০:—পেটে ভয়ানক টাটানি ব্যথা, প্রসববেদনার ন্যায় বেদনা। মনে হয় যেন যোনিপথ দিয়া সমস্ত বাহির হইয়া যাইবে৷ ঋতুশোণিত কতকটা তরল, কতকটা চাপচাপ । অত্যন্ত যন্ত্রণা এবং উত্তেজনাসহ বাধক বেদনায় বেলাডোনা বিশেষ উপযোগী।

কোমরে এবং সমস্ত পেটে বেদনা, যেন টাটিয়ে থাকে, উহাতে হাত দেওয়া যায় না। মাথাধরা, মুখমন্ডল আরক্তিম। রক্তাধিক্য লক্ষণযুক্ত বাধকবেদনায় বিশেষ উপযোগী। রক্তপ্রধান ধাতুবিশিষ্ট যুবতীদের ব্যাধি।

বোরাক্স (Borax) : ৩০,২০০:– ঝিল্লীযুক্ত বাধকে ইহা বিশেষ উপযোগিতার সর্হিত ব্যবহৃত হয়। তীব্র বেদনাসহ শীঘ্র শীঘ্র প্রচুর পরিমাণ ঋতুস্রাব হয় । অন্ডলালের ন্যায় শ্বেতপ্রদর, উহাঁ নির্গত হইবার সময়ে মনে হয় যেন যোনিদ্বার দিয়া গরম জল বাহির হইতেছে। বমন বা বমনেচ্ছাসহ পাকাশয়ে বেদনা।

ব্রায়োনিয়া (Bryonia) ৩০,২০০:– ঋতুকালে স্তনে বেদনা; নাসিকা হইতে রক্তস্রাব, ঋতুস্রাব শীঘ্র শীঘ্র এবং প্রচুর পরিমাণে হয়। ডিম্বাশয়ে বিশেষত ডানদিকের ডিম্বাশয়ে সূচিবিদ্ধবৎ বেদনা, জোরে নিঃশ্বাসের সঙ্গে বেশি করিয়া অনুভূত হয়। ডিম্বাশয় ছিঁড়িয়া যাওয়ার ন্যায় বেদনা, উরুদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

ক্যাল্কেরিয়া কার্ব (Calcarea carb) : ৩০, ২০০:— গণ্ডমালা ধাতুবিশিষ্টা এবং মোটা থলথলে চেহারার  স্ত্রীলোকগণ যাহারা সামান্য কারণেই সর্দিকাশিতে ভুগিয়া থাকে, তাহাদের বাধকবেদনায় বিশেষ উপযোগী।

পদদ্বয়ের অত্যন্ত শীতলতা, মনে হয় ভিজা মোজা পায়ে দিয়া আছে। পুনঃপুনঃ ঋতুর প্রকাশ, পরিমাণে প্রচুর এবং বহুদিন স্থায়ী। শৈত্যভোগ অথবা অর্দ্রতাজনিত ঠাণ্ডাজলে স্নান করিয়া হঠাৎ ঋতু বন্ধ হইয়া প্রবল বেদনা উপস্থিত হয়।

ক্যামোমিলা (Chamomilla) ৩০,২০০:— অত্যন্ত খিট্খিটে মেজাজ, উগ্র স্নায়বিক প্রকৃতির যুবতীদের বাধকবেদনায় উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হয়। অত্যন্ত বেদনা, রোগিণী সহ্য করিতে পারে না, আক্ষেপিক এবং প্রসববেদনার ন্যায় বেদনা;

বেদনা সামান্য হইলেও রোগিণীর কাছে অসহ্য বোধ হয়। বেদনার সঙ্গে অল্প পরিমাণ চাপচাপ ঋতুশোণিত নির্গত হয়, বেদনা অসহ্য হওয়ায় রোগিণী ক্রন্দন করে, কিছু জিজ্ঞাসা করিলে অভদ্রভাবে উত্তর দেয়।

সিমিসিফিউগা (Cimicifuga) : ৩০,২০০:– বাতরোগগ্রস্তা, স্নায়বিক প্রকৃতির স্ত্রীলোকগণের বাধকে বিশেষ হিতকর। কোমরে এবং পৃষ্ঠে বেদনা; ঋতু সময়ে কোরিয়া, মূর্ছা এবং মানসিক বিকৃতি। মানসিক অবসাদ, মন দুঃখপূর্ণ, মনে হয় বুঝি পাগল হইয়া যাইবে।

জরায়ুপ্রদেশে বেদনা, পেটের একদিক হইতে অন্যদিকে বিস্তৃত হয়। প্রসববেদনার ন্যায় বেদনা, মনে হয় যেন সমস্ত নাড়িভুঁড়ি যোনিপথ দিয়া বাহির হইয়া যাইতেছে। অনিয়মিত ঋতু কখনও অল্প, কখনও বেশি, কখনও সময়ে হয়, কখনও অসময়ে, সেই সঙ্গে পূর্বোক্তরূপ বেদনা।

কলোফাইলাম (Caulophyllum) : ৩০,২০০:– আক্ষেপিক বাধকে বিশেষ হিতকর কলোফাইলাম জ্ঞাপক প্রসববেদনার ন্যায় সেই প্রকৃতির বাধকেও ইহা উপযোগী। আক্ষেপিক বেদনা দেহের অন্যান্য অংশে যেমন ঊরুতে, বুকে, হাতে, পায়ে বিস্তৃত হয়।

কোমর হইতে পিউবিস পর্যন্ত, সবিরাম বেদনা  ইহার বিশেষত্ব। হাঁতে পায়ের আঙুলে বাতের বেদনা, বিশেষত সঞ্চরণশীল বেদনা  থাকিলে ইহা অধিকতর উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হয়।

কলোসিন্থ (Colocynth) : ৩০,২০০:– কলোসিন্থ সকল প্রকার বেদনারই একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ এবং সকল প্রকার ।বাধকবেদনাতেই ইহা উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হইয়া থাকে অত্যন্ত অসহ্য বেদনা, সেই বেদনার জন্য রোগিণী উপুড় হইয়া থাকে। পেটে বালিশ প্রভৃতি চাপ দিয়া শয়ন করে, ইহাতে সে আরাম পায় । 

উত্তাপ প্রয়োগেও বেদনার উপশম হয়, ক্রোধ অথবা বিরক্তির পরেই বেদনা ধরিলে ইহা আরও উপযোগিতার ‘সহিত ব্যবহৃত হইয়া থাকে। অত্যন্ত অধৈর্য ও উত্তেজিত স্বভাবের রোগিণী, কিছু জিজ্ঞাসা করিলে অসন্তুষ্ট হয়, রাগিয়া উঠে।

ককিউলাস (Cocculus) : ৩০,২০০: — তীব্র বেদনাসহ অতি শীঘ্র ঋতু দেখা দেয়; এত বেদনা, মনে হয় পেটের ভিতর দুইখানি ধারাল পাথর ঠোকাঠুকি করিতেছে । অত্যন্ত বমনেচ্ছা এবং বমন ও মানসিক অবসাদ। ঋতুরক্ত কালো কালো চাপ চাপ, ঋতুকালে অত্যন্ত দুর্বলতা, রোগিণী চলাফেরা করিতে পারে না। মাথাধরা এবং বমনেচ্ছা।

কফিয়া ক্রুডা ((Coffea)  : ৩০,২০০:– ঋতুশোণিত নিঃসরণ সময়ে তীব্র বেদনা, রোগিণী সহ্য করিতে পারে না এরূপ বেদনা। বেদনার জন্য রোগিণী ছটফট করে এবং ক্রন্দন করে।

ক্রোকাস (Crocus) ৩০,২০০:– ঋতুস্রাব কালো বর্ণের, আঠার মতো পুরু এবং সূতার মতো হইয়া নির্গত হয়। রক্ত নির্গত হইয়াই জমিয়া যায়। কালোবর্ণের চট্ট্চটে জমাট বা চাপচাপ রক্তস্রাব, টানিলে যেন কালো সূতার ন্যায় হইয়া নির্গত হয়। সেইসঙ্গে বেদনা এবং মনে হয় যেন পেটে কোন গোলাকার বস্তু নড়াচড়া করিয়া বেড়াইতেছে।

সিক্লামেন (Cyclamen)৩০,২০০:— রক্তহীনা এবং হরিৎপাণ্ডু বা ক্লোরোসিসগ্রস্তা স্ত্রীলোকদের বাধকবেদনায় উপযোগী। অজীর্ণরোগ বিশেষত যে সকল স্ত্রীলোকের ঘৃতপক্ক জিনিস খাইলে মোটেই সহ্য হয় না।

তাহাদের বাধকবেদনায় ইহা অধিকতর উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হইয়া থাকে। ঋতুকালে পেটে ভয়ানক বেদনা। মানসিক নিস্তেজতা । সিক্লামেন রোগিণীর প্রায়ই পিপাসা দেখা যায় এবং সে মুক্ত বায়ু পছন্দ করে না, তাহাতে উপসর্গ বেশি হয়।

জেলসিমিয়াম (Gelsemium ৩০,২০০:– আচ্ছন্নভাব এবং সকল বিষয়ে বৈরাগ্য এই লক্ষণসহ বাধক। আক্ষেপিক ও স্নায়বিক বাধকে বিশেষ উপযোগী। ঋতুস্রাবের পূর্বেই মাথাধরা ও বমন প্রকাশ পায়।

ঋতুকালে আরক্তিম মুখমন্ডল, মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চয়। প্রচুর পরিমাণে মূত্রনিঃসরণে মাথাধরার নিবৃত্তি। জরায়ুর মধ্যে তীব্র বেদনা, প্রসববেদনার ন্যায় বেদনা কোমরে, পৃষ্ঠে এবং ঊরুতে বিস্তৃত হয়।

হ্যামামেলিস (Hamamelis) : ৩০,২০০:– ঋতুর সময় ঋতু না হইয়া পৃষ্ঠে, কুঁচকিতে এবং ঊরুতে বেদনা। মস্তিষ্কে এবং অন্ত্রে পূর্ণতাবোধ। মস্তকে তীব্র বেদনা, তন্দ্রা এবং গাঢ় নিদ্রা, ডিম্বকোষেও তীব্র বেদনা। অর্শ এবং পদদ্বয়ের স্ফীতি ও বেদনাযুক্ত শিরা লক্ষণে ইহা অধিকতর উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হয়।

ইগনেসিয়া (Ignatia) :  ৩০, ২০০:– হিস্টিরিয়ারোগগ্রস্তা স্ত্রীলোকগণের বাধকে বিশেষ উপযোগী। জরায়ুর মধ্যে আক্ষেপের ন্যায় ছুরিকাবিদ্ধবৎ তীব্র বেদনা, স্পর্শে বেদনার বৃদ্ধি ।

জীবনে নৈরাশ্য এবং অত্যন্ত বিষণ্ণভাব,রোগিণী অত্যন্ত শোকপূর্ণা, ঘনঘন দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে। কোন বিষয়ে মনঃসংযোগ করিতে পারে না। মাথার মধ্যে যেন সমস্ত গোলমাল হইয়া গিয়াছে এইরূপ মনে হয়। প্রসববেদনার ন্যায় বেদনা।

লিলিয়াম টিগ্রাইনাম (Lilium Tigrinum) : ৩০,২০০:— শীঘ্র শীঘ্র ঋতু হয়, কিন্তু স্রাব পরিমাণে অত্যন্ত অল্প। দুর্গন্ধ গাঢ় রংয়ের স্রাব। রোগিণী যখন চলাফেরা করে কেবলমাত্র তখনই নির্গত হয়। প্রসববেদনার ন্যায় বেগ, পেটের নাড়িভুঁড়ি সমস্ত যোনিপথ দিয়া বাহির হইয়া যাইতেছে এইরূপ মনে হয়।

তলপেটে তীব্র বেদনা এবং এক কুঁচকি হইতে অন্য কুঁচকি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, বেদনা নিচের দিকে এমন কি পায়ে নামিয়া আসে। রোগিণীর বিষন্নভাব, না কাঁদিয়া থাকিতে পারে না। হৃৎস্পন্দন, অত্যন্ত রতীচ্ছা এবং সেইজন্য অস্থিরতা। জরায়ুর স্থানবিচ্যুতি ঘটিলে ইহা অধিকতর উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃতহয়।

ম্যাগনেসিয়া ফস (Magnesia Phos) : ৩০,২০০:- স্নায়বিক এবং আক্ষেপিক বাধকবেদনায় ইহা বিশেষ উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হয়। ফলত, প্রকৃতির বাধকের ইহা একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। ঋতুর পূর্বে বেদনার বৃদ্ধি, ঋতু  আরম্ভ হইলে ইহার উপশম। বেদনা এত তীব্র হয় যে, রোগিণী সম্মুখের দিকে উপুড় হইয়া থাকিতে বাধ্য হয়।

উত্তাপে এবং কঠিন চাপে বেদনার উপশম এবং সঞ্চালনে বৃদ্ধি। ডানদিকে বেদনার আধিক্য, তীবরেঁধার ন্যায় বা বিদ্যুত্ব বেদনা। গাঢ় রংয়ের আঠার ন্যায় স্রাব,ঠাণ্ডা হাওয়ায় রোগের বৃদ্ধি। ঝিল্পীযুক্ত বাধকেও ইহা বিশেষ উপযোগী।

নেট্রাম মিউর(Natrum Mur) : ৩০২০০:– যে সকল স্ত্রীলোক ক্রন্দনশীলা, দুঃখকষ্টে বা সামান্য কারণে অশ্রুপাত করে অথচ সহানুভূতি দেখাইলে বা সান্ত্বনা দিলে রাগ করে খিট খিটে স্বভাব। এবং যে সকল স্ত্রীলোক প্রায়ই দুর্বলা এবং রক্তহীনা, যাহাদের মুখমন্ডল শীর্ণ ও শুষ্ক, যাহারা সর্বদা বিষন্ন এবং সামান্য কারণে কুপিত, সামান্য কারণে যাহাদের হৃৎস্পন্দন, কম্প ও মানসিক উত্তেজনা হয় ।

এবং যাহারা অত্যধিক লবণ খায়, তাহাদের বাধকবেদনায় নেট্রাম মিউর বিশেষ উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হইয়া থাকে। জরায়ুদ্রংশ এবং জরায়ুতে আক্ষেপিক বেদনা থাকিলে ইহা অধিকতর উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হইয়া থাকে।

ঋতু অনেক বিলম্বে অল্প পরিমাণে হয়, সেই সময়ে বা তাহার পূর্বে মানসিক বিষণ্ণতা, শিরঃপীড়া, হৃৎস্পন্দন, কোমরে বেদনা ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়। ঋতুসময়ে দিনের বেলায় পদতলে বরফের ন্যায় ঠান্ডা এবং রাত্রিকালে উহা জ্বালাযুক্ত হয়।

প্লাটিনা (Platinum) : ৩০,২০০:- অত্যন্ত গর্বিত এবং উদ্ধত স্বভাবের স্ত্রীলোক যাহারা নিজেকে মহৎ মনে করে এবং অপর সকলকে ঘৃণা করে, নিকৃষ্ট মনে করে, চারিপার্শ্বের দ্রব্যাদি যাহার চক্ষে অত্যন্ত ছোট বলিয়া মনে হয়, তাহাদের বাধকবেদনায় ইহা বিশেষ উপযোগী।

ইহা প্রধানত স্ত্রীব্যাধিতেই ব্যবহৃত হইয়া থাকে এবং স্ত্রীরোগে ইহা একটি উৎকৃষ্ট ঔষধরূপে গণ্য হয়। অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত কালোবর্ণের চাপচাপ খণ্ডযুক্ত স্রাব। অতি শীঘ্র শীঘ্র বেশি পরিমাণে ঋতুস্রাব হয়। জরায়ুর মধ্যে বেদনার সঙ্গে আক্ষেপ।

স্রাব আরম্ভের পূর্বে পৃষ্ঠদেশেও বেদনা, রোগিণী চীৎকার করিতে থাকে। স্বামিসহবাস অত্যন্ত কষ্টদায়ক, অথচ প্ল্যাটিনাজ্ঞাপক রোগিণী অত্যন্ত কামাতুরা, কামোন্মত্ততায় যাহাকে সম্মুখে দেখে তাহাকেই সজোরে আলিঙ্গন করে।

পালসেটিলা (Pulsatilla) :  ৩০, ২০০:— ইহা বাধকবেদনার একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। নম্র প্রকৃতির, অশ্রুপ্রবণা যুবতীদের বাধকে ইহা বিশেষ উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হয়। ঋতুবন্ধ অথবা উহা বিলম্বে নিয়মিতভাবে প্রকাশ পায়।

স্রাব অত্যন্ত অল্প হয়। ঋতুর পূর্ব হইতেই তলপেটে জরায়ুর মধ্যে টানিয়া ধরার ন্যায় অথবা কাটিয়া ফেলার ন্যায় বেদনা হয়। অত্যন্ত স্পর্শদ্বেষ, হাত দিতে পারা যায় না। বেদনা সঞ্চরণশীল  অর্থাৎ এক স্থান হইতে অন্য স্থানে চলিয়া বেড়ায়। জরায়ুর স্থানচ্যুতি। ঋতুস্রাব সবিরাম , কখনও বন্ধ হয় আবার পরক্ষণে স্রাব চলিতে থাকে।

ঋতুস্রাবের সঙ্গে শীতবোধ, বেদনা যত বেশি হয় শীতভাবও তত বেশি প্রকাশ পায়। ঋতুপ্রকাশের পূর্বে তলপেটে তীব্র বেদনা। কখনও খামচানোর ন্যায়, আবার কখনও বা খিলধরার ন্যায় বেদনা। রুদ্ধ গৃহে রোগিণী অত্যন্ত কষ্ট অনুভব করে, যেন দম বন্ধ হইয়া আসে। রোগিণী মুক্ত বায়ুতে থাকিতে আরাম বোধ করে। ঋতুস্রাব কখনও কালো চাপচাপ, কখনও জলবৎ বর্ণহীন তরল রক্ত।

সিপিয়া (Sepia) : ৩০,২০০:— কোমলস্বভাব, উদাসীনভাব, নিজের ছেলে মেয়েদের উপরেও টান নাই। সংসারের কাজকর্ম করিতে অনিচ্ছা। ঋতুর পূর্বে পেটে অত্যন্ত বেদনা, সমস্ত শরীরে কম্পন। ঋতুকালে পায়ের হাড়ে বেদনা, দন্তবেদনা, দৃষ্টিশক্তির ক্ষীণতা, শ্বেতপ্রদর স্রাব। যোনিতে সঙ্কোচক বেদনা, সহবাসকালে যোনিতে ভয়ানক বেদনা অনুভব করে। শ্রোণীপ্রদেশে প্রসববেদনার ন্যায় বেদনা।

সেই সঙ্গে ত্রিকাস্থিপ্রদেশে ঠেলিয়া ধরারন্যায় বেদনা মনে হয় যেন শ্রোণীপ্রদেশের যন্ত্রসমূহ প্রসববেদনার সঙ্গে নামিয়াবহির্গত হয়তেছে যোনিপথ দিয়৷ সমস্ত বাহির হইয়া যাইতেছে এই অনুভূতি হইতে নিস্তার পাইবার জন্য রোগিণী পায়ের উপর পা দিয়া জড়সড় হইয়া বসে।জরায়ুদ্রংশসহ বাধকবেদনায় অধিকতর উপযোগিতার সহিত ব্যবহৃত হয়।

সিকেলি কর (Secale Cor) : ৩০,২০০ :– শীর্ণকায়া স্ত্রীলোকদের বাধকবেদনায় বিশেষ উপযোগী। জরায়ুতে অত্যন্ত সঙ্কোচক বেদনা। জরায়ু বহির্গত হইয়া পড়িবার মতো বেদনা। জরায়ু এবং ডানদিকের ডিম্বাশয়ে রক্তাধিক্য এবং টাটানি বেদনা।

অনিয়মিত ঋতু অল্প অথবা অধিক পরিমাণে হয়। গাঢ় বর্গের তরল রক্তস্রাব। অধিকদিন স্থায়ী অথবা এক ঋতু হইতে পরবর্তী ঋতু পর্যন্ত পাতলা জলবৎ রক্ত ধীরে ধীরে নির্গত  হইতে থাকে। হাতপা ঠাণ্ডা ঝিন ,ঝিন করে। অত্যন্ত দুর্বলতা। পায়ের ডিমেতে খাল ধরে।

সেনিসিও (Senecio) : ৩০,২০০:– সেনিসিও স্ত্রী রোগের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। জরায়ুতে এবং বিশেষত ব্লাডারের গলদেশে তীব্র বেদনাসহ অনিয়মিত ঋতু বা ঋতুবন্ধ।

সালফার (Sulphur) : ৩০,২০০:– সোরা এবং স্কোফুলাধাতুর রোগিণীদের পক্ষে উপযোগী। বিশেষত অন্য সুনির্বাচিত ঔষধ প্রয়োগে উপকার না হইলে ইহা ব্যবহৃত হইয়া থাকে। হাতেপায়ে জ্বালা, সমস্ত শরীরে উত্তাপবোধ।

জরায়ুপ্রদেশে ভারবোধ এবং প্রসবের বেশের ন্যায় বেগ, রোগিণী সোজা হইয়া দাঁড়াইতে পারে না, তাহাতে কষ্টবোধ হয়। শরীরে অসংখ্য চর্মরোগ থাকিলে অপরিষ্কার বা নোংরা স্বভাবের হইলে বিশেষ ফলপ্রদ।

ভাইবারনাম ওপুলাস (Viburnum Opulus) : ৩০,২০০ :– আক্ষেপিক এবং স্নায়বিক বাধকে ইহা বিশেষ উপযোগী। বিশেষত এরূপক্ষেত্রে  ঝিল্পীযুক্ত বাধকেও ইহা উপযোগী। বেদনা এত তীব্র যে, রোগিণী বসিতে চেষ্টা করিলে তাহার মূর্ছা হয়।

তলপেটে শূলবৎ বেদনা ইহার বেদনার আর একটি বিশেষত্ব যে, উহা কোমরের পৃষ্ঠদেশ হইতে আরম্ভ করিয়া কোমর জুড়িয়া যৌনাস্থি  এবং উরুর সম্মুখের পেশিতে বিস্তৃত হয়। জরায়ুর মধ্যে খাল ধরে। ঋতুস্রাব অতি বিলম্বে অল্প পরিমাণে হয়। কয়েক ঘন্টা অবস্থিতির পরে আবার বন্ধ হইয়া যায় । ইহা বাধকবেদনার একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।

জিঙ্কাম মেট্যালিকাম (Zincum Metallicum) : ৩০,২০০:–অত্যন্ত স্নায়ধিক অবসাদ। রোগিণীর পদদ্বয় অবিরত কম্পিত হয় , ইহা জিঙ্কামের বিশিষ্ট লক্ষণ। ঋতুস্রাব আরম্ভ হইলে রোগিণীর আর কোন উপসর্গ থাকে না, কিন্তু স্রাব বন্ধ হইলেই পেটে বেদনা, মাথার যন্ত্রণা, অজীর্ণতা ইত্যাদি নানা উপসর্গ আসিয়া উপস্থিত হয়।


যোগাযোগ -

আরোগ্য হোমিও হল

প্রতিষ্ঠাতা : মৃত : ডা: আজিজুর রহমান 

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না)

বিএসএস, ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

ডা: মোসা: অজিফা রহমান (ঝর্না)

 ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

রেজি নং- ১৬৯৪২

মথুর ডাঙ্গা, সপুরা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

মোবাইল - ০১৭১৮১৬৮৯৫৪

arh091083@gmail.com 

hafizurrahman2061980@gmail.com

শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২

 যে খাবার গুলো খেলে পুরষদের সেক্স বাড়বে

যে খাবার গুলো খেলে পুরষদের সেক্স বাড়বে

 যে খাবার গুলো খেলে পুরষদের সেক্স বাড়ে :


 যে খাবার গুলো খেলে পুরষদের সেক্স বাড়ে :

সেক্সুয়াল চাহিদা বৃদ্ধি করার জন্য কোন খাবার নেই। বা ঔষধ নেই। তবে যৌন উত্তেজনা ও যৌন শক্তি বৃদ্ধি করার কিছু উপায় রয়েছে।


যৌন উত্তেজনা ও যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য আপনি নানান রকম ঔষধ সেবন করতে পারেন। ভ্যায়াগ্রার নাম তো নিশ্চয়ই শুনেছেন? এমন আরও অনেক ঔষধ রয়েছে যা পুরুষের যৌন উত্তেজনা ও যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। তবে সেগুলো অবশ্যই সেবন করতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। অশাধু ক্যানভাসারদের খপ্পরে পড়ে কিংবা হারবাল মেডিকেল সেন্টারের খপ্পরে পড়ে আজেবাজে হারবাল ঔষধ সেবন করতে যাবেন না কখনোই। এতে লাভ তো হবেই না, উল্টো মারাত্মক ক্ষতি হবে স্বাস্থ্যের!


যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি, যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখা, বীর্যের মান উন্নয়ন, যৌন শক্তি বৃদ্ধি করা ইত্যাদির জন্য কিছু প্রাকৃতিক খাবার অবশ্যই আছে। (নিচের জবাবটি দেখুন) ৃ স্বাস্থ্যকর খাওয়া, ভালো জীবন যাপন আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখবে। লাল মাংস, ডিম, সবুজ শাকসবজি, ডার্ক চকলেট ইত্যাদি খাবারের সুনাম তো আছেই। সাথে যৌন শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য আদর্শ মনে করা হয় ঝিনুককেও। ফলের মাঝে স্ট্রবেরী, কলা, তরমুজ উপকারী। এছাড়াও নানান রকমের বাদাম (কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম) , দুধ ও চিনি ছাড়া চা এবং রসুন প্রতিদিন সেব করলে যৌন শক্তি বাড়ে ও যৌন ক্ষমতা ভালো থাকে।


শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে। আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।


দুধ :

বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।


ঝিনুক :

আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


অ্যাসপারাগাস :

আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।


কলিজা :

অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।


ডিম :

ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।


রঙিন ফল

যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের অ্গ ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।


মিষ্টি আলু :

মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পতা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।


কফি :

কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে।

ডার্ক চকোলেট


ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শরীরে বাড়তি যৌন উদ্দীপনা তৈরী করে। গবেষণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।


ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক) :

ট্রাফলে পুরুষের যৌন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, নারীদের পুরুষের প্রতি লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।


জয়ফল :

ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।


তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড উঐঅ ঙ ঊচঅ শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।


গরুর মাংস :

কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।


অ্যাভোকাডো :

অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে নারী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আকর্ষণীয় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌন ইচ্ছা এবংযৌন সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নিষিদ্ধ করেছিল।


ওটমীল :

ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।


পালং শাক ও অন্যান্য সবজি

পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।


বাদাম ও বিভিন্ন বীজ

কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌন ইচ্ছা এবং যৌন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌন ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর শিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে। চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।


যোগাযোগ -

আরোগ্য হোমিও হল

প্রতিষ্ঠাতা : মৃত : ডা: আজিজুর রহমান 

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না)

বিএসএস, ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

ডা: মোসা: অজিফা রহমান (ঝর্না)

 ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

রেজি নং- ১৬৯৪২

মথুর ডাঙ্গা, সপুরা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

মোবাইল - ০১৭১৮১৬৮৯৫৪

arh091083@gmail.com 

hafizurrahman2061980@gmail.com

শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২২

 একোনাইট ন্যাপ এর প্রধান প্রধান লক্ষণ

একোনাইট ন্যাপ এর প্রধান প্রধান লক্ষণ

 একোনাইট ন্যাপ এর প্রধান লক্ষণ 




 একোনাইট ন্যাপ এর প্রধান প্রধান লক্ষণ :

যে-কোন রোগই হউক না কেন (জ্বর-কাশি-ডায়েরিয়া অমাশয়-নিউমোনিয়া-পেটব্যথা-হাঁপানি-মাথাব্যথা বুকেব্যথা-শ্বাসকষ্ট-বার্ড ফ্লু-বুক ধড়ফড়ানি প্রভৃতি), যদি হঠাৎ শুরু হয় এবং শুরু থেকেই মারাত্মকরূপে দেখা দেয় অথৰ দুয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করে, তবে একোনাইট ঔষধটি হলো তার এক নাম্বার ঔষধ। একোনাইটকে তুলনা করা যায় ঝড় তুফান-টর্নেডোর সাথে প্রচণ্ড কিন্তু ক্ষণস্থায়ী। একোনাইটের রোগী রোগের যন্ত্রণায় একেবারে অস্থির হয়ে পড়ে। রোগের উৎপাত এত বেশী হয় যে, তাতে রোগী মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। রোগী ভাবে সে এখনই মরে যাবে।

একোনাইট ন্যাপ  গাছ


যোগাযোগ -

আরোগ্য হোমিও হল

যোগাযোগ -

আরোগ্য হোমিও হল

প্রতিষ্ঠাতা : মৃত : ডা: আজিজুর রহমান 

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না)

বিএসএস, ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

ডা: মোসা: অজিফা রহমান (ঝর্না)

 ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

রেজি নং- ১৬৯৪২

মথুর ডাঙ্গা, সপুরা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

মোবাইল - ০১৭১৮১৬৮৯৫৪

arh091083@gmail.com 

hafizurrahman2061980@gmail.com

 পুরুষদের ধাতু দুর্বল ও ধ্বজভঙ্গে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

পুরুষদের ধাতু দুর্বল ও ধ্বজভঙ্গে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা


 পুরুষদের ধাতু দুর্বল ও ধ্বজভঙ্গের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

রোগ বিবরন : যৌবন কালে অস্বাভাবিক উপায়ে অত্যাধিক শুক্রক্ষয়, হস্তমৈথুন, ঘন ঘন স্বপ্ন দোষ, অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস, কোষ্টবদ্ধ, অর্শ, কৃমি প্রভূতি রোগে এই পীড়া হইতে পারে। তবে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ই ইহার মূল কারন। জননেন্দ্রিয় এতই দুর্বল হইয়া পড়ে যে, শুক্রেয় ধারন ক্ষমতা কমিয়া যায়। বাহ্যে, প্রস্রাবে বসিয়া কোঁথ দিলে শুক্র বাহির হইয়া পড়ে। স্ত্রী লোকের সঙ্গে আলিঙ্গন, স্পর্শ, দর্শন কিংবা মনে মনে ভাবিলেও বীর্যপাত হইয়া যায়। ইহাতে জননেন্দ্রিয় ছোট, ও বক্র হইয়া পড়ে। হ্রৎস্পন্দন মাথা ধরা, অকাল বার্ধক্য। ধ্বজভঙ্গ প্রভূতি রোগের আবির্ভাব হয়। তবে স্বরন রাখা উচিত অমিতাচার, হস্তমৈথুন, স্বপ্ন দোষ ইত্যাদি কারনে ধাতু দুর্বল্য রোগ অল্প সময়ে আরোগ্য হয় না। তাই কিছু অধিক দিন ঔষধ ব্যবহার করিতে হয়।



চিকিৎসা----

ক্যালিডিয়াম (Caladium) : বহু দিন পর্যন্ত স্বপ্ন দোষ হইতে হইতে পরিশেষে ধ্বজভঙ্গ, ঘুমের মধ্যে বার বার প্রবল লিঙ্গ উত্থান। ঘুম থেকে জাগিলে লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে। স্ত্রী সহবাসে ইচ্ছা অত্যন্ত প্রবল কিন্তু ক্ষমতাহীন। সহবাস কালে লিঙ্গ শক্ত হয় না। যদি ও সামান্য হয় অল্পতেই বীর্যপাত হইয়া যায়। এই সব ক্ষেত্রে ইহা অব্যর্থ।

লাইকোপিাডিয়াম (Lycopodium) : হস্তমৈথুন স্বপ্ন দোষ কিংবা অত্যাধিক স্ত্রী সহবাস জনিত ধ্বজভঙ্গ, স্ত্রী সহবারে ইচ্ছা প্রবল কিন্তু ক্ষমতাহীন, লিঙ্গ শিথিল, ছোট, স্ত্রী লইয়া সোহাগ আলিঙ্গন করিলেও লিঙ্গ উত্থান হয় না। যদিও কিছু হয় পরক্ষনেই শিথিল হইয়া পড়ে। ক্ষনস্থায়ী সহবাস, বৃদ্ধ বয়সে ধ্বজভঙ্গ পীড়ায় ইহা ব্যবহারে যথেষ্ট উপকার হইয়াছে।

সেলিনিয়ম (Selenium) : এই ঔষধটি শুক্র তারল্য বা ধ্বজভঙ্গ পীড়ায় সুনামের সহিত ব্যবহার হইতেছে। চলিতে ফিরিতে পায়খানায় বসিয়া কোঁথ দিলে বীর্যপাত হইয়া যায়। অসাড়ে রেতপাত হইয়া রোগী জীর্ণ শীর্ণ দুর্বল হইয়া পড়ে। চোখ, মুখ বসিয়া যায়।

কোনিয়াম  (Conium) : স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অত্যন্ত অধিক কিন্ত সহবাসে অক্ষম। স্ত্রী লোক দেখিলে, কাছে বসিলে, এমনকি মনে মনে ভাবিলেও বীর্যপাত হইয়া যায়। সহবাস কালে যদিও লিঙ্গ উত্থান হয়। সোহাগ আলিঙ্গনের সময় শিথিল হইয়া পড়ে। ইচ্ছা ও হয়, শক্তিও আছে, তবুও যাহারা অধিক দিন কাম রিপু দমন করিয়া রাখে তাহাদের ধ্বজভঙ্গ পীড়ায় কোনিয়াম অব্যর্থ মহোঔষধ।

এগনাস কাষ্ট (Agnus Castus): অবৈধভাবে বীর্যক্ষয় করিয়া কিংবা যাহারা বারংবার প্রমেহ রোগে আক্রান্ত হইয়া ধ্বজভঙ্গ পীড়ায় আক্রান্ত হইয়া পড়িয়াছে। স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অত্যন্ত প্রবল থাকা ও সত্বে ও ক্ষমতাহীন। আবার কাহারো সঙ্গম ইচ্ছা থাকেনা। লিঙ্গ শিথিল, ঠান্ডা, আকারে একবারে ছোট, বাঁকা এই ঔষধ তাহাদের জন্য অতি মূল্যবান।

এনাকার্ডিয়াম (Anacardium) : স্মরনশক্তিহীন রোগীদের বাহ্যি প্রস্রাব কালীন অথবা অন্য কোন প্রকারে বীর্যপাত হইয়া ধ্বজভঙ্গ পীড়া হইলে এনাকার্ডিয়াম অব্যর্থ।

এসিড ফস (Acid Phos) : যে সকল যুবক বয়স অপেক্ষা শীঘ্র শীঘ্র বাড়িয়া উঠে। অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস জনিত মাথা ঘুরে, স্মৃতি শক্তি-হ্রাস, লিঙ্গ শিথিল, স্ত্রী সহবাসের সময় অতি শীঘ্র বীর্যপাত হইয়া যায়। এসিড ফস তাদের পরম বন্ধু।

কার্বোনিয়ম সালফ (Corbonium Sulph) : জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে বীর্যস্খলন হইয়া ধ্বজভঙ্গ। লিঙ্গ আকারে ছোট স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা হয় না। যদিও সামান্য ইচ্ছা হয়, অল্প স্থায়ী মনে কষ্ট।

স্যালিক্স নায়গ্রা (Salix Nig):হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ বাহ্যে প্রস্রাবের সময় শুক্রস্খলন জনিত ধাতুর্বল্য স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা প্রবল, কিন্ত ক্ষমতাহীন রোগীদের উৎকৃষ্ট ঔষধ। সময় সময় কোমরে বেদনার জন্য চলিতে ফিরিতে কষ্ট হয়। অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা দমন করিতে ও ধাতুদুর্বল্যে এই ঔষধ উত্তম কার্যকারী।

ইয়োহিম্বিনাম (Yohimbinum) : ধাতু দুর্বল্য বা ধ্বজভঙ্গ রোগে এই ঔষধ সেবন করিলে অল্প দিনের মধ্যেই রতি শক্তি বৃদ্ধি পায়। অনিচ্ছা সত্ত্বে লিঙ্গ অত্থান ও ঘন ঘন প্রস্রাবের ব্যাধি দূর হয়।

টিটেনিয়ম Titanium): সঙ্গম শক্তির দুর্বলতা বশত স্ত্রী সহবাস কালীন অতি শীঘ্র বীর্যপাত হইয়া গেলে টিটানিয়াম একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।

ইন্ডিয়াম (Indium): স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা কম, ক্ষমতাও কম, জননেন্দ্রিয় দুর্বলতা বশত সহবাসকালের সময় অতি শীঘ্র বীর্যপাত হইয়া যায়। মনে কোন সুখ পায় না।

নুপার লুটিয়া (Nuphar Lut) : কাম উত্তেজক কথায় কিংবা অল্প উত্তেজনায় অসাড়ে বীর্যপাত হইয়া যাহাদের ধ্বজভঙ্গ পীড়া হইয়াছে ও মল ত্যাগ কালীন অসাড়ে শুক্র স্খলন হইয়া, রমন ইচ্ছা কমিয়া গিয়াছে ইহা তাহাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

টার্নেরা (Turnera): ইহা শুক্র বর্ধক ঔষধ। যাহাদের পুরুষত্ব কমিয়া গিয়াছে। লিঙ্গ ভাল ভাবে উত্তেজিত হয় না। অথাৎ ধাতু দুর্বল্য পীড়ায় উক্ত ঔষধ নিয়মিত রূপে কিছু দিন পর সেবন করিলে উৎকৃষ্ট ফল পাওয়া যায়।

এভেনা স্যাট (Avena Sat) : হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস জনিত শারীরিক দুর্বলতা ও ধ্বজভঙ্গ পীড়ায় ইহা ব্যবহার করিয়া যথেষ্ট উপকার পাইয়াছি।

উইদানিয়া (Withania) : ধাতু দুর্বল্য বা ধ্বজভঙ্গ পীড়ার উৎকৃষ্ট ঔষধ।

ফসফরাস (Phosphorus) : সুন্দর, লম্বা ছিপছিপে গড়ন, চালাক, তীক্ষ বৃদ্ধি, কোমল মন, সামান্য কারনে মনে ব্যথা। কোল কুঁজো, হাঁটিতে সামান্য নুয়ে চলে এই ধাতু রোগী হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাসে বা অসাড়ে শক্রক্ষরন ইত্যাদি কারনে ধ্বজভঙ্গ। সঙ্গম ইচ্ছা খুব প্রবল কিন্তু ভালভাবে লিঙ্গ উত্থান হয় না। যদিও হয় সহবাস কালীন লিঙ্গ শিথিল হইয়া পরে। ইত্যাদি লক্ষনে ইহা অমোঘ।

ট্রিবিউলাস (Tribulus) : শরীরে যখন যৌবন আসিতে আরম্ভ করে কামকাতুরা হইয়া নিজ দেহের উপর অত্যচার শুরু স্বপ্ন দোষ বা অন্য কোন অবৈধ ভাবে শুক্রক্ষয় করিয়া জননেন্দ্রিয়ের দুর্বলতা আংশিক ধ্বজভঙ্গ পীড়ায় আক্রান্ত হয়। 

মসকাস (Moschus) : বহুমূত্র রোগী অত্যন্ত জীর্ণ হইয়া অকালে বৃদ্ধের মত হইয়া পড়ে, রমন ইচ্ছা প্রবল, কিন্ত ক্ষমতাহীন, লিঙ্গ উত্থান কিছু বীর্যপাত হইয়া যায়। বহুমূত্র রোগী ধ্বজভঙ্গ পীড়ায় মসকাম একটি উত্তম কার্যকারী ঔষধ।

মেডোরিনাম (Medorihium) : গনরিয়া রোগে আক্রান্ত হইয়া ইনেজেকশন দ্বারা চিকিৎসা করাইয়া গনরিয়া রোগ চাপা দেওয়ার ফলে ধ্বজভঙ্গ পীড়া হইলে প্রথমেই মেডোরিনাম দ্বারা চিকিৎসা আরম্ভ করিয়া পরে লক্ষনে অনুযায়ী অন্য ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করিলে রোগী আরোগ্য হয়।

আপনি যদি এই রোগে আক্রান্ত হন তাহলে আপনার বিস্তারিত রোগ লক্ষন ম্যাসেজ দিয়ে জানান।


যোগাযোগ -

আরোগ্য হোমিও হল

প্রতিষ্ঠাতা : মৃত : ডা: আজিজুর রহমান 

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না)

বিএসএস, ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

ডা: মোসা: অজিফা রহমান (ঝর্না)

 ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

রেজি নং- ১৬৯৪২

মথুর ডাঙ্গা, সপুরা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

মোবাইল - ০১৭১৮১৬৮৯৫৪

arh091083@gmail.com 

hafizurrahman2061980@gmail.com

শনিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২২

 মুখে ব্রণ থাকলে যে ভুলগুলো করবেন না

মুখে ব্রণ থাকলে যে ভুলগুলো করবেন না

 মুখে ব্রণ থাকলে যে ভুলগুলো করবেন না

 মুখে ব্রণ থাকলে যে ভুলগুলো করবেন না

ত্বকের শত্রু হলো ব্রণ। এই শত্রু আপনার ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করার জন্য একাই একশো! প্রথমে ছোট একটি দানার মতো জন্ম নিয়ে এরপর বড় হয়, সেখানে জমতে পারে পুঁজও। একে ইংরেজিতে বলে অ্যাকনে বা পিম্পল, বাংলা বলা হয় ব্রণ। ব্রণ হলে তা আপনার সৌন্দর্য কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নষ্ট করে আত্মবিশ্বাসও। 


বয়ঃসন্ধির সময়ে এই সমস্যা বেশি হয়। তবে শুধু এসময়েই নয়, বরং যেকোনো বয়সেই ত্বকে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। হরমোনাল পরিবর্তনের পাশাপাশি অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক, জিনগত কারণ, ইনফেকশন ইত্যাদি নানা কারণে হতে পারে ব্রণের সমস্যা। ব্রণ হলে আমরা অজান্তেই এমনকিছু ভুল করে ফেলি, যেগুলো হতে পারে ভোগান্তির কারণ। তখন সমস্যা না কমে আরও বাড়তে পারে। 




জেনে নিন ব্রণ হলে কোন ভুলগুলো করা যাবে না-

ব্রণ গেলে দেওয়া


এই অভ্যাস আমাদের বেশিরভাগেরই আছে। মুখে ব্রণ দেখা গেলেই তা গেলে না দেওয়া পর্যন্ত যেন স্বস্তি পাওয়া যায় না! এই স্বভাবের কারণে আরও বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। এটি ব্রণের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে তোলে। সেইসঙ্গে নখ দিয়ে খোঁটাখুঁটির কারণে হতে পারে ইনফেকশন। তাই ব্রণ হলে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত সময় দিতে হবে।


ব্রণ খোঁটাখুঁটি

ব্রণ খোঁটাখুঁটি করার বদ অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করুন। অনেকেই ব্রণ হলে তা খুঁটতে থাকেন। ব্রণ গেলে দেওয়ার মতো এটিও ক্ষতিকর অভ্যাস। বিশেষজ্ঞরা এই কাজ করতে একেবারেই নিষেধ করেন। ব্রণ হলেও তা খোঁটাখুঁটি করা চলবে না। এই অভ্যাস সমস্যা আরও বাড়িয়ে তোলে। তাতে ক্ষতি ছাড়া কোনো উপকার হবে না।


বারবার মুখ পরিষ্কার করা

অনেকে মনে করেন, বারবার মুখ পরিষ্কার করলেই বুঝি ত্বক বেশি ভালো থাকে! এটি আসলে ঠিক নয়। কারণ বারবার মুখ ধোওয়ার কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারায়। শুধু পানি দিয়ে পরিষ্কার করলে ত্বক কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু বেশিরভাগই সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে বারবার মুখ পরিষ্কার করে থাকেন। এটি ব্রণের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।


সঠিক ফেসওয়াশ ব্যবহার না করা

অনেকে ত্বক ভালো রাখতে ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন। কিন্তু সেটি
আসলেই ত্বকের জন্য উপযুক্ত কি না তা জানেন না। মুখ পরিষ্কার রাখতে আপনি যে ফেসওয়াশ ব্যবহার করছেন, সেটি আপনার ত্বকের জন্য মানানসই কি না তা জেনে নিন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। এতে ব্রণের সমস্যা কমবে।


ক্ষতিকর ক্রিম ব্যবহার করা

ত্বকের যতেœ আমরা যে ক্রিম ব্যবহার করি, সেটি কি আসলেই ত্বকের যত্ন নেয়? অনেকেই বিজ্ঞাপন দেখে প্রলোভিত হয়ে ভুলভাল ক্রিম কিনে এনে ব্যবহার করেন। কিন্তু সেসব ক্রিম ব্রণ কমাতে সাহায্য করে না। এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই ক্রিম ব্যবহারের আগে সেটি আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কি না সেটি খোঁজ নিয়ে জেনে নিন।


যোগাযোগ -

আরোগ্য হোমিও হল

প্রতিষ্ঠাতা : মৃত : ডা: আজিজুর রহমান 

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না)

বিএসএস, ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

ডা: মোসা: অজিফা রহমান (ঝর্না)

 ডিএইচ এমএস (ঢাকা)

রেজি নং- ১৬৯৪২

মথুর ডাঙ্গা, সপুরা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।

মোবাইল - ০১৭১৮১৬৮৯৫৪

arh091083@gmail.com 

hafizurrahman2061980@gmail.com